জাপানের কুমাৌমতো অঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে অঞ্চলটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপণিবিতান ও অবকাঠামো ধসে পড়েছে। ধসে পড়া এসব স্থাপনার নিচে বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছেন এবং আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে আনতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তীব্র কম্পন এবং পরবর্তী পরাঘাতের (আফটারশকের) আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও জাপানের এই পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও গ্যাস সংকট নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলমান সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে মালয়েশিয়ার সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় জ্বালানি খাতের এই সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়া ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। দেশের শিল্পাঞ্চল ও গৃহস্থালিতে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে এই ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক গতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় দেয়াল ধসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। ভারী বর্ষণ বা অন্য কোনো কারণে দুর্বল হয়ে পড়া একটি সীমানা প্রাচীর হঠাৎ ধসে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। এ ধরনের অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল বা পুরোনো অবকাঠামোগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হতে পারে এবং দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।