রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি মিছিলের পর নতুন করে নাশকতার আশঙ্কার কথা বলছেন বিভিন্ন স্থানীয় সূত্র। তাদের দাবি, ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে একটি চক্র রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে। বিভিন্ন সুত্র বলছে ৫ অগাস্ট এর আগে থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত বিএনপির বিভিন্ন নেতা ও থানা টার্গেট করে হামলা চালাবে একটি গ্রুপ। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এসব নাশকতার উদ্দেশ্যে মিছিল, বোমা হামলা বা সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এসব গ্রুপের নেতৃত্ব থাকা এক যুবলীগ নেতার নাম উঠে এসেছে।
তিনি কারো কাছে পরিচিত যুবলীগ নেতা রুবেল নামে, কারো কাছে শাহারিয়ার আলম খান রুবেল নামে পরিচিত, আবার কোথাও চশমা রুবেল নামে পরিচিত স্থানীয়দের কাছে ভূমিদস্যু রুবেল নামে পরিচিত, আন্তজেলা ডাকাত বাহিনীর কাছে তিনি ডাকাত রুবেল নামে পরিচিত আর আন্ডারওয়াল্ডে তিনি নাইন এম এম রুবেল নামে পরিচিত ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শামীম হাওলাদার হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা রুবেল ওরফে চশমা রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর রূপনগর থানা এলাকা থেকে ডিএমপির রূপনগর থানা-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠালেও মাস কয়েক পরেই তিনি জামিন নিয়ে আসেন। সুত্র বলছে মামলার বাদীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সেই মামলা থেকে অব্যহতিও নেন তিনি।
শুধু মিরপুর নয় গোটা রাজধানীতেই রুবেল বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলা বিএনপি নেতাদের টার্গেট করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সুত্র বলছে এবার নতুন টার্গেট হিসেবে থানাকে বেছে নিয়েছে তারা। থানার অভ্যন্তরে বা থানার গেইটে বোমা ফাটিয়ে নাশকতা সৃষ্টি করবে রুবেল বাহিনী।
সুত্র বলছে আওয়ামী লীগের আমলে রূপনগর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল রুবেল। অসহায় মানুষের বাড়িঘর দখল করা, বিভিন্ন গার্মেন্টস এর কর্মীদের জোর করে তুলে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকাসহ নানা অপরাধ তার নিত্যকার বিষয় ছিল। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীরা বলছেন ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট এর পরে কিছুদিন গা ঢাকা দিলেও প্রসাশনের কিছু অসাধু ব্যক্তিদের সাথে রুবেল লিয়াজো করে আবার ত্রাসের রাজত্ব শুরু করেছে। তার নামে একাধিক মামলাও রয়েছে দেশের বিভিন্ন থানায়।