সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ড্রোন মাঝপথেই প্রতিহত করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোট কর্তৃপক্ষ এই ড্রোনটি ধ্বংস করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে প্রকাশিত জোটের তথ্যে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসী হুতি মিলিশিয়াদের পাঠানো ওই ড্রোনটি মক্কা অঞ্চলের আকাশসীমায় পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় হুতিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু।

গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ হামলায় দুই বাংলাদেশি নাগরিকসহ ১৩ জন নিহত হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরও তিন শতাধিক মানুষ। সে সময় সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলার দাবি করেছিল হুতি বিদ্রোহীরা। এছাড়া ২০২২ সালে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি সম্প্রতি ভেঙে পড়ার পর থেকে ইয়েমেন ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও আরব নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে সৌদি আরবের অভ্যন্তরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলমান এই অস্থিরতার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশের ওপর সাইবার ও সামরিক হামলার ঘটনাও শিরোনামে উঠে আসছে। সম্প্রতি বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে ইয়েমেনের বর্তমান সংকট নিরসনে কোনো আন্তর্জাতিক পক্ষ বা ইরান কোনো নতুন শর্ত আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পথ বন্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইরানের গালিবাফ। এসব ঘটনার পাশাপাশি ইসরায়েলের নির্বাচন ও সরকার গঠন নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা, ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি এবং পশ্চিমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অস্ত্র মজুতের বিষয়গুলোও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। সামগ্রিকভাবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থানে রয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচনে ঝুলে গেল সরকার গঠন, অনিশ্চয়তায় নেতানিয়াহু।