সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি

  • মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু: ৩১ অক্টোবর থেকে।
  • সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টিকিট: দর্শকের ওপর চড়া দামের চাপ।
  • সুদানে ব্যস্ত বাজারে ড্রোন হামলা: শতাধিক নিহতের খবর।
  • ক্যারিয়ার টিপস: বসের কাছে যেভাবে বেতন বৃদ্ধির আবেদন করবেন।
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য: রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

কক্সবাজারের উখিয়ার ছোট ইনানী এলাকায় নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসে সৃষ্ট আগুন ২৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় খননকাজ চলার সময় হঠাৎ গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং দ্রুত আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি বা বাপেক্সের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আগুন নেভানোর পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাসের প্রবাহ কমে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন। ব্যবসা মন্দায় বন্ধ কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, সংকটে পুরোনো শপিং মলগুলো। কক্সবাজারের উখিয়ায় নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে জ্বলে ওঠা আগুন ২৬ ঘণ্টার বেশি সময় পরও নেভেনি। ফলে উচ্চচাপের গ্যাস বের হওয়ার পথ খুঁজতে থাকে।’। মোরশেদ জানান, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাপেক্সের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান।

বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের প্রধান ও ব্যবস্থাপক এস এম নাফিফুন আরহাম জানান, এটি অনেকটা অনিয়ন্ত্রিত গ্যাসকূপের পরিস্থিতির মতো।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খননকাজ প্রায় ১০০০ ফুট গভীরে একটি গ্যাসসমৃদ্ধ স্তরের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। স্তরটি উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ায় চাপের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে এবং গ্যাস বেরিয়ে আসছে। ভূগর্ভের কোনো সূক্ষ্ম ফাটল বা পথ দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস ভূপৃষ্ঠে উঠে এসেছে বলে মনে করছেন তিনি। এ মুহূর্তে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলে গ্যাস আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে নতুন করে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছেন তারা। ওই স্তরের কিছু অংশ খুলে যাওয়ায় চাপের ভারসাম্যে পরিবর্তন ঘটে। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে আরও তদন্ত প্রয়োজন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বিপদ এড়াতে আশপাশের মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া জরুরি। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছি, কিন্তু আগুন নেভাতে পারিনি।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের উৎসস্থলের চারপাশ ঘিরে অন্তত ২০০ মিটার বা তার বেশি এলাকা জুড়ে একটি নিরাপত্তাবলয় তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ করে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করাই এখন তাদের প্রধান দায়িত্ব। ঘটনাস্থলে বৈদ্যুতিক লাইন ও বসতবাড়ি থাকায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আগুনের উৎসস্থলের চারপাশে অন্তত ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধের পরিকল্পনা করছে স্থানীয় প্রশাসন। কারণ ঘটনাস্থলের কাছেই বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বসতবাড়ি রয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, তাদের চারটি ইউনিট মঙ্গলবার সকাল থেকেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে।

বর্তমানে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট সেখানে রাখা হবে।

বাপেক্সের তথ্যমতে, অগ্নিকাণ্ডের স্থানে গ্যাসের চাপ প্রতি বর্গইঞ্চিতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার পিএসআই থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এভাবে আগুন সাত থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, তবে এর প্রকৃত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য বাপেক্সের দল ঘটনাস্থল থেকে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করেছে। পরীক্ষাগারে এই গ্যাসের উপাদান ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হবে। অগ্নিকাণ্ডের ধোঁয়া ও শিখার রং দেখে হাইড্রোকার্বনের উপস্থিতি বেশি থাকতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আপাতত জনসাধারণের জানমাল রক্ষায় এলাকাটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখার ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। বিশ্লেষণ / নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট: লৌহ মুষ্টির এপিঠ-ওপিঠ। প্রয়োজনে বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • বসের কাছে বেতন বাড়ানোর কথা বলবেন কীভাবে।