লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের প্রতীক হয়ে ওঠা আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সিটি ভবিষ্যতে কে পরবেন, তা নিয়ে নিজের স্পষ্ট মত দিয়েছেন জাতীয় দলের ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। ব্যবসা মন্দায় বন্ধ কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, সংকটে পুরোনো শপিং মলগুলো। টস জিতে ব্যাটিং নিল বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক।

তার মতে, কিংবদন্তি এই ফরোয়ার্ডের যোগ্য উত্তরসূরি হতে পারেন হুলিয়ান আলভারেজ। আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার সময় ডি মারিয়া ও ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিদের উত্তরসূরি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করা আলভারেজই এই গুরুদায়িত্ব পালনে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করেন রোমেরো।

মেসির এই আইকনিক জার্সির পেছনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। অতীতে ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও মারিও কেম্পেসের মতো বিশ্বসেরা ফুটবলাররা এই জার্সি গায়ে চাপিয়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে টটেনহ্যামের এই তারকা জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি চেয়েছিলেন অন্য কারো গায়ে এই জার্সি না চাপিয়ে তা চিরতরে তুলে রাখা হোক। ইসরায়েলের নির্বাচন / জরিপে সমান ডানপন্থী-বিরোধী জোট, নেতানিয়াহুর ভাগ্য আরব দলগুলোর কাছে।

রোমেরোর ভাষ্যমতে, আমি হলে এই জার্সিটা তুলে রাখতাম। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) দেয়ালে মেসির একটি ম্যুরাল ঝুলিয়ে দেয়া যেত, যাতে কাউকে এই ভারী দায়িত্ব আর নিতে না হয়। যদিও বর্তমান ফুটবলীয় নিয়মে তা সম্ভব নয়, তাই বিকল্প হিসেবে তিনি আলভারেজকেই বেছে নিচ্ছেন। তাহলে এই ভারী দায়িত্ব আর কাউকেই বইতে হতো না। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী তো আর সেটা সম্ভব নয়।’। অবশ্য সবারই নিজস্ব পছন্দ থাকতে পারে।

বিশ্বকাপজয়ী এই ডিফেন্ডার আলভারেজের প্রশংসা করে বলেন, আমি হলে জার্সিটি জুলিকেই দিতাম। আলভারেজের সাধারণ জীবনযাপন, পরিবারের প্রতি অকৃত্রিম টান এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে তার ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করে। তার খেলার দক্ষতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গুণাবলি তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে। তবে জার্সিটি যখন খালি থাকছেই, তখন এটি কার পাওয়া উচিত—এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা স্পষ্ট উত্তর দেন, ‘আমি হলে এই জার্সি জুলিকেই [আলভারেজ] দিতাম।

২০২২ বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আলভারেজ এখন জাতীয় দলের আক্রমণের মূল ভরসা। রোমেরোর বিশ্বাস, আলভারেজের নম্র স্বভাব আর মাঠের পারফরম্যান্সই তাকে মেসির ঐতিহাসিক জার্সির উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে। এছাড়া রসিকতা করে রোমেরো তাকে নিজের জন্মশহর কালচিনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে ভেবে দেখতে বলেছেন। কেন গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে খেলতে পারছেন না মুশফিক।