সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের সময় ‘কোটা আন্দোলনের’ পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত এই সাবেক প্রতিমন্ত্রীর আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি সোমবার এই দাবি জানান।

ঢাকার একটি আদালতে গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলন চলাকালীন মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে এসব কথা তুলে ধরেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার একটি আদালতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যা মামলার শুনানি শেষে গণমাধ্যমের সামনে দেওয়া বক্তব্যে এ দাবি করেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) জুনাইদ আহমেদ পলকের নাম উল্লেখ ছিল না। এই মামলায় তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং আন্দোলন চলাকালে তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতিই সহানুভূতিশীল ছিলেন। চার সন্তান প্রতিষ্ঠিত, ভাড়া বাসায় মায়ের পচনধরা মরদেহ।

আইনজীবীর ভাষ্যমতে, ছাত্র আন্দোলন চলাকালে পলক শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কোটা বিরোধী আন্দোলনের পক্ষেই নিজের মতামত ও অবস্থান বজায় রেখেছিলেন। আদালতের শুনানি শেষে তিনি এই ব্রিফিং পরিচালনা করেন। ঠাকুরগাঁওয়ে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোন-ডগ ইউনিট দিয়ে নজরদারি।

তবে অভিযুক্ত সাবেক প্রতিমন্ত্রীর আইনজীবীর পেশ করা এসব দাবি স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে প্রকৃত সত্য নিশ্চিত হতে মামলার পূর্ণাঙ্গ অভিযোগপত্র ও আদালতের পর্যবেক্ষণ জানা প্রয়োজন।

আইনগত এ বিষয়টির পাশাপাশি মামলার অন্যান্য পক্ষ এবং তদন্তকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট বক্তব্য জানা গেলে পুরো ঘটনাটি আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্তদের আইনি পদক্ষেপ ও শুনানি আদালতে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অব্যাহত রয়েছে।