প্রযুক্তির দুনিয়ায় বিপ্লব ঘটানো মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার সাফল্যের মূলে কেবল মেধা নয়, বরং কাজের প্রতি গভীর ভালোবাসা, অদম্য জানার আগ্রহ এবং বড় স্বপ্ন দেখার সাহসের মতো বিষয়গুলো ভূমিকা রেখেছে। তার কর্মজীবন থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও সফলতার ১০টি বিশেষ কৌশল আজ অনুসরণযোগ্য। মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নাম জানেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি আগ্রহ ছিল গেটসের। তাই শেখার আগ্রহ কখনো বন্ধ করা যাবে না।
বিল গেটস মনে করেন, কাজের প্রতি আগ্রহই মানুষকে সফলতার পথে এগিয়ে নেয়। তার মতে, নিজের ভালো লাগার কাজ খুঁজে বের করা এবং সেটির প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা জরুরি। যেকোনো বড় লক্ষ্য পূরণে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা এবং বড় স্বপ্ন দেখার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি, কোনো বাধা এলে দমে না গিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকা সাফল্যের একটি বড় শর্ত। কাজে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা গেটসকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। সেই ধারণার ওপর ভর করেই তিনি মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
কর্মক্ষেত্রে মনোযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে গেটস বারবার অপ্রয়োজনীয় বিষয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার। সেই সাথে শেখার আগ্রহকে সবসময় জীবন্ত রাখতে হবে। বই পড়া ও নতুন বিষয়ের খোঁজ নেওয়ার অভ্যাসই নতুন নতুন সুযোগের দুয়ার খুলে দেয়।
ভবিষ্যৎ নিয়ে দূরদর্শী হওয়ার গুরুত্ব গেটসের ক্যারিয়ারের অন্যতম ভিত্তি। কেবল বর্তমান নিয়ে পড়ে না থেকে ব্যবসা বা ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা সাফল্যের পথে সহায়ক হয়। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই কাজের দক্ষতা ও গতি বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। নিজের কাজের উপযোগী সরঞ্জাম নির্বাচনে তিনি সবসময় সচেতন ছিলেন। নতুন কিছু তৈরির আনন্দ তাকে উৎসাহিত করত। অন্যরা যা অসম্ভব মনে করত, তা করার চেষ্টা করেছেন। শুধু বর্তমান নিয়ে ব্যস্ত থাকলে চলবে না।
অনিশ্চিত সময়ে নিজের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থার কথা বলেছেন তিনি, তবে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা অপরিহার্য। সাফল্যকে কেবল প্রচলিত মাপকাঠিতে না দেখে, কোন কাজটি সত্যিকার অর্থে উন্নতির পথে সহায়ক, তা চিহ্নিত করে সময় ও শ্রম দেওয়ার পরামর্শ দেন গেটস। তিনি বিশ্বাস করেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি বিশ্বের বড় সমস্যা সমাধানে সহমর্মিতা ও আশাবাদ থাকা জরুরি।
বিভিন্ন বক্তৃতায় গেটস জোর দিয়ে বলেছেন, সাফল্য একদিনে আসে না। নিজের পছন্দের কাজ, নিয়মিত শেখা, কঠোর মনোযোগ এবং ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়াই একজন মানুষকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যায়।
এদিকে অন্যান্য সমসাময়িক খবরের মধ্যে, সরকার অনুমতি দিলে পুলিশ ‘ক্রসফায়ার’ করবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি। অন্যদিকে, হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যুতে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৩৩ জন। এছাড়া নরসিংদীতে পুলিশের তল্লাশিতে বাসে থাকা এক নারীর কাছ থেকে ১৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে।
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন ৪টি বই যুক্ত করা হচ্ছে এবং আগামী ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এছাড়া দেশের স্কুলের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য ২১৯০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুমতি ছাড়া ড্রোন ওড়ানোও এখন নিষিদ্ধ। এছাড়া অর্থনীতি বিষয়ক বিশ্লেষণে লুলার সামনে থাকা ৫টি বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়টি উঠে এসেছে এবং বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের সঙ্গে তালিকার অন্যান্য ব্যক্তিদের নিয়েও আলোচনা চলছে। মরিনহোর কৌশলে রিয়াল মাদ্রিদ বার্সেলোনাকে হারানোসহ খেলার মাঠের খবরাখবরও গুরুত্ব পেয়েছে। বার্সেলোনাকে কীভাবে হারাতে হয়, রিয়ালকে সেই পথ দেখালেন মরিনহো। বিশ্লেষণ / লুলার সামনে অর্থনীতির যে ৫ চ্যালেঞ্জ। চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যোগ হচ্ছে নতুন ৪ বই। সামনে কী হতে পারে, তা নিয়েও ভাবতে হবে। প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের কাজ সহজ করতে পারে, তা বুঝেছিলেন গেটস।