খুলনার দাকোপ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও হাত মেলানোর সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাদাম বিক্রেতা রাজু। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাদাম বিক্রি করার পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পেরে ও হাত মেলাতে পেরে তাঁর জীবন সার্থক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রাজু অসংখ্য ধন্যবাদ জানান এবং নিজের ভালো লাগার কথা ব্যক্ত করেন। ‘আমি বাদাম বেচি, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা কইছি, ‘হাত মেলাইছি, ‘আমার আর কি আর লাগে, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ‘আমি কার সঙ্গে কথা কলাম, ‘আমার জীবন সার্থক,। ‘বাদাম বেচি, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলাইছি, আর কি লাগে,।
বৃহস্পতিবার সকালে এক সরকারি সফরে হেলিকপ্টারে চেপে খুলনায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে। পরবর্তীতে তিনি হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুনের দিকে এগিয়ে যান। এ সময় রাস্তার উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেওয়া সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান সরকারপ্রধান। উপস্থিত নেতাকর্মীদের স্লোগানের জবাবে তিনি অনেকের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং কারও কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। এই পথেই স্থানীয় বাদাম বিক্রেতা রাজুর সঙ্গেও তিনি হাত মেলান। সড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতা কর্মী ও সাধারণ মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখান থেকে পায়ে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুনে যান তিনি।
পরিদর্শনসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে পন্টুন এলাকা থেকে নৌপথে মোংলার দিকে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী এবং দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে বানৌজা মোংলা জেটিতে পৌঁছান। সেখানে মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম, জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা ইকনোমিক জোন এলাকা পর্যবেক্ষণের কর্মসূচি রাখা হয়। সফলভাবে দিনব্যাপী বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ ও এলাকা পরিদর্শন শেষ করে বিকেল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।