সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি শনাক্ত করেছে ইয়েমেনের বৈধ সরকারকে সমর্থনকারী সামরিক জোট। এই ঝুঁকির মুখে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরীক্ষা ও কার্যক্রম পুনরায় চালুর সক্ষমতা যাচাই করতে বিমান চলাচল স্থগিত রাখার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে বিমানবন্দরটি পুনরায় কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা ঘোষণা করেনি। পরে বিপদ কেটে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক এই হামলার ঘটনায় বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিমান চলাচল নিরাপত্তা সংস্থা সৌদি আকাশসীমার ঝুঁকি সংক্রান্ত সতর্কতা হালনাগাদ করেছে। এদিকে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি রিয়াদ ও দাম্মামের বিমানবন্দরসহ সৌদির বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছে বা হামলার দাবি জানিয়েছে।

গত শনিবার ও রোববার রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলার পর থেকে সেখানে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এর মধ্যে রোববার বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৪-এ অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। এর আগে শনিবারের হামলায় ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে শনিবারের হামলায় ১৩ জন নিহত ও ৩০০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

একইভাবে সোমবার ১২ অক্টোবর সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খামিস মুশাইতে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সেই সময় আসির অঞ্চলের আভা শহরেও সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা জারি করেছিল বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ, যা পরবর্তীতে স্বাভাবিক হয়। একের পর এক এসব হামলায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ নাজুক হয়ে পড়েছে।