Hi

১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নিহত ৬৪৫

  • ডেস্ক সংবাদ
  • আপডেট : ১০:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪ জন দেখেছে

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৫ জনে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে সংস্থাটি দাবি করেছে, দেশজুড়ে ১০ হাজার ৭২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। যা ১৬তম দিনে গড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান ১০০ ঘন্টার বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে বলেও জানিয়েছে তারা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের পর গত ২৮ জানুয়ারি তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রথমে এ আন্দোলন শুরু করেন। যা অল্প কয়েকদিনের মধ্যে সহিংস আন্দোলনে রূপ নেয়।

শেষ শাহ শাসকের ছেলে ও নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির কথায় গত বৃহস্পতিবার দেশটির হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। শুক্রবারও রাজপথের দখল নেন বিক্ষোভকারীরা। ওই দুইদিন বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি গুলি ছোড়ে নিরাপত্তাবাহিনী। এতে শত শত মানুষ আহত ও নিহত হন। এছাড়া নিরাপত্তাবাহিনীর শতাধিক সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। তবে বিক্ষোভকারীদের হতাহতের ব্যাপারে কিছু জানায়নি তারা।

ইরান অভিযোগ করেছে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে উস্কানি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। এতে করে বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা’ বিভিন্ন সরকারি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নিহত ৬৪৫

আপডেট : ১০:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৫ জনে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে সংস্থাটি দাবি করেছে, দেশজুড়ে ১০ হাজার ৭২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। যা ১৬তম দিনে গড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান ১০০ ঘন্টার বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে বলেও জানিয়েছে তারা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের পর গত ২৮ জানুয়ারি তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রথমে এ আন্দোলন শুরু করেন। যা অল্প কয়েকদিনের মধ্যে সহিংস আন্দোলনে রূপ নেয়।

শেষ শাহ শাসকের ছেলে ও নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির কথায় গত বৃহস্পতিবার দেশটির হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। শুক্রবারও রাজপথের দখল নেন বিক্ষোভকারীরা। ওই দুইদিন বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি গুলি ছোড়ে নিরাপত্তাবাহিনী। এতে শত শত মানুষ আহত ও নিহত হন। এছাড়া নিরাপত্তাবাহিনীর শতাধিক সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। তবে বিক্ষোভকারীদের হতাহতের ব্যাপারে কিছু জানায়নি তারা।

ইরান অভিযোগ করেছে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে উস্কানি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। এতে করে বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা’ বিভিন্ন সরকারি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।