Hi

০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। মূলত ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাতিলের দাবিতে এমন ঘটনা ঘটে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায় ২৬ আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ব্যবসায়ীরা বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। তবে সন্ধ্যার দিকে ভবনটিতে আনসারের পাশাপাশি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেখা যায়, বিটিআরসি ভবনের করিডরের গ্লাস ভাঙা। ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করার ফলে মূল ভবনের গ্লাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিটিআরসি ভবনে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন আনসার সদস্য বলেন, ‘দুপুর ২টা থেকে আন্দোলন করছিলেন মোবাইলফোন ব্যবসায়ীরা। পরে বিকেল ৩টার দিকে তারা ভাঙচুর চালান। বিটিআরসি ভবনের পাশের গলিতে রাখা বিআরটিসির একটি বাসও ভাঙচুর করেছে ব্যবসায়ীরা।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার ইবনে মিজান সারাবাংলাকে বলেন, ‘বিটিআরসি ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। শেরেবাংলা নগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। সেই মামলা তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে। আরও যারা জড়িত তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

জানা গেছে, পূর্বঘোষিত এনইআইআর বাস্তবায়ন হওয়ায় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালান। বিটিআরসি ভবনের বাইরে দুই রাস্তার দিক থেকে ঢিল মেরে এই ভাঙচুর চালানো হয়। তবে এ হামলায় বিটিআরসির কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে থাকা মুঠোফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা বিক্ষোভ করতে যায় বিটিআরসিতে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর

আপডেট : ০৯:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। মূলত ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাতিলের দাবিতে এমন ঘটনা ঘটে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায় ২৬ আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ব্যবসায়ীরা বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। তবে সন্ধ্যার দিকে ভবনটিতে আনসারের পাশাপাশি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেখা যায়, বিটিআরসি ভবনের করিডরের গ্লাস ভাঙা। ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করার ফলে মূল ভবনের গ্লাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিটিআরসি ভবনে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন আনসার সদস্য বলেন, ‘দুপুর ২টা থেকে আন্দোলন করছিলেন মোবাইলফোন ব্যবসায়ীরা। পরে বিকেল ৩টার দিকে তারা ভাঙচুর চালান। বিটিআরসি ভবনের পাশের গলিতে রাখা বিআরটিসির একটি বাসও ভাঙচুর করেছে ব্যবসায়ীরা।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার ইবনে মিজান সারাবাংলাকে বলেন, ‘বিটিআরসি ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। শেরেবাংলা নগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। সেই মামলা তাদের গ্রেফতার দেখানো হবে। আরও যারা জড়িত তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

জানা গেছে, পূর্বঘোষিত এনইআইআর বাস্তবায়ন হওয়ায় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালান। বিটিআরসি ভবনের বাইরে দুই রাস্তার দিক থেকে ঢিল মেরে এই ভাঙচুর চালানো হয়। তবে এ হামলায় বিটিআরসির কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে থাকা মুঠোফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা বিক্ষোভ করতে যায় বিটিআরসিতে।