Hi

০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লড়াইয়ের ইতিবাচক প্রতিফলন

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি মনে করেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ দেশে ফেরার অধিকার পুনরুদ্ধার হওয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথকে আরও দৃঢ় করে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন। তিনি লেখেন, রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে তাঁকে দীর্ঘ সময় নির্বাসনে থাকতে হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ফলে এমন একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবার দেশে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ রাষ্ট্র চাই, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং যেখানে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে আর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, বিগত দেড় দশক ধরে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল অবরুদ্ধ। সেই বাস্তবতা ভেঙে এখন যে মুক্ত বাংলাদেশের পথে দেশ এগোচ্ছে, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই ফেরা দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি মনে করেন।

পোস্টের শেষাংশে তারেক রহমানকে স্বদেশে স্বাগত জানিয়ে নাহিদ ইসলাম লেখেন, দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তাঁর এই অংশগ্রহণ ফলপ্রসূ হোক।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

লড়াইয়ের ইতিবাচক প্রতিফলন

আপডেট : ১০:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি মনে করেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ দেশে ফেরার অধিকার পুনরুদ্ধার হওয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথকে আরও দৃঢ় করে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন। তিনি লেখেন, রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে তাঁকে দীর্ঘ সময় নির্বাসনে থাকতে হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ফলে এমন একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে তারেক রহমান ও তাঁর পরিবার দেশে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ রাষ্ট্র চাই, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং যেখানে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে আর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হবে না।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, বিগত দেড় দশক ধরে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল অবরুদ্ধ। সেই বাস্তবতা ভেঙে এখন যে মুক্ত বাংলাদেশের পথে দেশ এগোচ্ছে, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই ফেরা দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি মনে করেন।

পোস্টের শেষাংশে তারেক রহমানকে স্বদেশে স্বাগত জানিয়ে নাহিদ ইসলাম লেখেন, দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তাঁর এই অংশগ্রহণ ফলপ্রসূ হোক।