Hi

১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুদক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এটি দুদকের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটেছে যে, সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামা হলো।

দুদক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য খাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী ছিলেন ইকবাল মাহমুদের ভাই সাদিক মাহমুদ বকুল। অভিযোগ রয়েছে, মিঠু ও বকুল পরস্পর যোগসাজশে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করলেও ইকবাল মাহমুদের প্রভাবের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।

এছাড়া, ঠিকাদার মিঠুর কাছ থেকে রাজধানীর গুলশানের অভিজাত এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগও ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে রয়েছে। দুদক তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের দিকগুলোও খতিয়ে দেখবে। একই সঙ্গে তার ভাই সাদিক মাহমুদ বকুলের সম্পদের উৎসও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।

মো. আকতারুল ইসলাম জানান, “গত ১১ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর রিমান্ডে মিঠুর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল মাহমুদের নাম উঠে এসেছে। আমরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছি।”

দুদকের এই পদক্ষেপ দেশের দুর্নীতি দমন ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাবেক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হওয়া সরকারের সংকল্পকে শক্তিশালীভাবে প্রতিফলিত করে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

দুদক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদক

আপডেট : ১১:০৭:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এটি দুদকের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটেছে যে, সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামা হলো।

দুদক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য খাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী ছিলেন ইকবাল মাহমুদের ভাই সাদিক মাহমুদ বকুল। অভিযোগ রয়েছে, মিঠু ও বকুল পরস্পর যোগসাজশে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করলেও ইকবাল মাহমুদের প্রভাবের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।

এছাড়া, ঠিকাদার মিঠুর কাছ থেকে রাজধানীর গুলশানের অভিজাত এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগও ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে রয়েছে। দুদক তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের দিকগুলোও খতিয়ে দেখবে। একই সঙ্গে তার ভাই সাদিক মাহমুদ বকুলের সম্পদের উৎসও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।

মো. আকতারুল ইসলাম জানান, “গত ১১ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর রিমান্ডে মিঠুর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল মাহমুদের নাম উঠে এসেছে। আমরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছি।”

দুদকের এই পদক্ষেপ দেশের দুর্নীতি দমন ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাবেক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হওয়া সরকারের সংকল্পকে শক্তিশালীভাবে প্রতিফলিত করে।