Hi

০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমান ও জাইমার সিদ্ধান্ত আগামীকাল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে রোববার (২৮ ডিসেম্বর)। নির্বাচন কমিশনের সভায় তাদের ভোটার হওয়ার নথি উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়।

এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, তারেক রহমান ও জাইমা রহমান ইতোমধ্যে ভোটার নিবন্ধনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। তবে তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণেই বিষয়টি কমিশনের বৈঠকে তোলা হচ্ছে।

আখতার আহমেদ বলেন, “রোববার কমিশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।” তিনি জানান, তারা ঢাকা–১৭ আসনের গুলশান এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করেছেন।

ইসি সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটার নিবন্ধনের অংশ হিসেবে ফরম পূরণ, ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ, স্বাক্ষর, মুখমণ্ডল ও চোখের মণির তথ্য নেওয়া হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৫ ধারায় নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যে কোনও যোগ্য ও প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার।

তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, তথ্য আপলোডের পর বায়োমেট্রিক যাচাইয়ে কিছুটা সময় লাগে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিগনেচার, ফেস ও আইরিশ মিলিয়ে যাচাই শেষ হলে এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, শনিবারের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে।

এ বিষয়ে একই দিনে এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পর এনআইডি নম্বর পেতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারভিত্তিক। কমিশনের অনুমোদন মিললে নম্বর জেনারেট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এনআইডি প্রস্তুত হয়ে যাবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রগুলো বলছে, কমিশনের সিদ্ধান্ত সভার মাধ্যমেও হতে পারে, আবার নথি পর্যালোচনার মাধ্যমেও নিষ্পত্তি করা হতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

তারেক রহমান ও জাইমার সিদ্ধান্ত আগামীকাল

আপডেট : ১০:০৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে রোববার (২৮ ডিসেম্বর)। নির্বাচন কমিশনের সভায় তাদের ভোটার হওয়ার নথি উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়।

এর আগে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, তারেক রহমান ও জাইমা রহমান ইতোমধ্যে ভোটার নিবন্ধনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। তবে তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণেই বিষয়টি কমিশনের বৈঠকে তোলা হচ্ছে।

আখতার আহমেদ বলেন, “রোববার কমিশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।” তিনি জানান, তারা ঢাকা–১৭ আসনের গুলশান এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করেছেন।

ইসি সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটার নিবন্ধনের অংশ হিসেবে ফরম পূরণ, ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ, স্বাক্ষর, মুখমণ্ডল ও চোখের মণির তথ্য নেওয়া হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৫ ধারায় নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যে কোনও যোগ্য ও প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার।

তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, তথ্য আপলোডের পর বায়োমেট্রিক যাচাইয়ে কিছুটা সময় লাগে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিগনেচার, ফেস ও আইরিশ মিলিয়ে যাচাই শেষ হলে এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, শনিবারের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে।

এ বিষয়ে একই দিনে এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পর এনআইডি নম্বর পেতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারভিত্তিক। কমিশনের অনুমোদন মিললে নম্বর জেনারেট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এনআইডি প্রস্তুত হয়ে যাবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রগুলো বলছে, কমিশনের সিদ্ধান্ত সভার মাধ্যমেও হতে পারে, আবার নথি পর্যালোচনার মাধ্যমেও নিষ্পত্তি করা হতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর।