Hi

০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন অবৈধ হবে না

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধ হলেও স্ব স্ব দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধান নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে, ২৭ নভেম্বর জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মহাসচিব মোমিনুল আমিন হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন। তিনি চ্যালেঞ্জ করেন জোটবদ্ধ নির্বাচনে স্ব স্ব দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধান, যা তার মতে অসাংবিধানিক। আবেদনকারীর যুক্তি, সংশোধনী মূলত জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) নির্বাচনে সুবিধা দিতে আনা হয়েছে।

হাইকোর্টের রুলে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদ সংবিধানের ২৮, ৩৮ ও ৩৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে কেন তা অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এই রুলে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, ৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার আরপিও সংশোধন করে। এতে জোটের সদস্য দলগুলো তাদের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হবে। আগে জোটভুক্ত কোনো দল একে অপরের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত।

রিট শুনানিতে এনডিএমের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রেশাদ ইমাম ও আইনজীবী সাহেদুল আজম। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বিএনপি জোট করলেও স্ব স্ব দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধানে আপত্তি জানিয়েছিল। দলটি মনে করে, এতে ছোট দলের নেতাদের জয় সহজ হবে না এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সুবিধা পেতে পারে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সংশোধনের পক্ষে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

কেন অবৈধ হবে না

আপডেট : ১১:০৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধ হলেও স্ব স্ব দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধান নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে, ২৭ নভেম্বর জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মহাসচিব মোমিনুল আমিন হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন। তিনি চ্যালেঞ্জ করেন জোটবদ্ধ নির্বাচনে স্ব স্ব দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধান, যা তার মতে অসাংবিধানিক। আবেদনকারীর যুক্তি, সংশোধনী মূলত জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) নির্বাচনে সুবিধা দিতে আনা হয়েছে।

হাইকোর্টের রুলে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশের ৯ অনুচ্ছেদ সংবিধানের ২৮, ৩৮ ও ৩৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে কেন তা অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এই রুলে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে।

নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, ৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার আরপিও সংশোধন করে। এতে জোটের সদস্য দলগুলো তাদের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হবে। আগে জোটভুক্ত কোনো দল একে অপরের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারত।

রিট শুনানিতে এনডিএমের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রেশাদ ইমাম ও আইনজীবী সাহেদুল আজম। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বিএনপি জোট করলেও স্ব স্ব দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিধানে আপত্তি জানিয়েছিল। দলটি মনে করে, এতে ছোট দলের নেতাদের জয় সহজ হবে না এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সুবিধা পেতে পারে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সংশোধনের পক্ষে।