Hi

০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিহত ৪০, নিখোঁজ অনেকে

  • ডেস্ক সংবাদ
  • আপডেট : ১১:৪০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩ জন দেখেছে

ভারী বৃষ্টিপাতে বন্যা ও ভূমিধসে চলতি সপ্তাহে শ্রীলঙ্কায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২১ জন।

শ্রীলঙ্কার দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের (ডিএমসি) বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যা-ভূমিধসে নিহতদের বেশিরভাগই দেশটির মধ্যাঞ্চলের চা-বাগান এলাকা বদুল্লার বাসিন্দা। ওই এলাকায় রাতে পাহাড়ি ঢাল ভেঙে ঘরবাড়ির ওপর ধসে পড়ে। এতে ২১ জন চাপা পড়ে মারা যান বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

এছাড়া দেশটির নুয়ারা এলিয়া জেলাতেও একইভাবে মাটি চাপা পড়ে আরও চারজন নিহত হয়েছেন। বাকিরা অন্যান্য এলাকায় মারা গেছেন।

ডিএমসি বলছে, কাদাধসে ৪২৫টিরও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার ৮০০ পরিবারকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কাজুড়ে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বর্তমানে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সময় চলছে। কিন্তু দেশটির পূর্ব দিকে অবস্থানরত একটি নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টিপাত আরও তীব্র হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

নিহত ৪০, নিখোঁজ অনেকে

আপডেট : ১১:৪০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

ভারী বৃষ্টিপাতে বন্যা ও ভূমিধসে চলতি সপ্তাহে শ্রীলঙ্কায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২১ জন।

শ্রীলঙ্কার দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের (ডিএমসি) বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যা-ভূমিধসে নিহতদের বেশিরভাগই দেশটির মধ্যাঞ্চলের চা-বাগান এলাকা বদুল্লার বাসিন্দা। ওই এলাকায় রাতে পাহাড়ি ঢাল ভেঙে ঘরবাড়ির ওপর ধসে পড়ে। এতে ২১ জন চাপা পড়ে মারা যান বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

এছাড়া দেশটির নুয়ারা এলিয়া জেলাতেও একইভাবে মাটি চাপা পড়ে আরও চারজন নিহত হয়েছেন। বাকিরা অন্যান্য এলাকায় মারা গেছেন।

ডিএমসি বলছে, কাদাধসে ৪২৫টিরও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার ৮০০ পরিবারকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কাজুড়ে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বর্তমানে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সময় চলছে। কিন্তু দেশটির পূর্ব দিকে অবস্থানরত একটি নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টিপাত আরও তীব্র হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।