Hi

০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খবরটি বিভ্রান্তিকর

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদানের কারণে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে এমন সংবাদটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। আদালত জানায়, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদেরকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের সঙ্গে বাস্তবতা মেলেনি। সেখানে বলা হয়েছিল যে, বিচারপতি আবু তাহের সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি জাকির হোসেনকে বিপুলসংখ্যক জামিন প্রদানের কারণে শোকজ করে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, প্রধান বিচারপতি কেবল প্রশাসনিক কারণে মামলাসংক্রান্ত কিছু তথ্য চেয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপ ও ফোনের মাধ্যমে তিনজন বিচারপতিকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এটি আদালতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রমের নিয়মিত অংশ এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যের ভুল উপস্থাপনার কারণে বিভ্রান্তি এড়াতে গণমাধ্যমকে সতর্ক করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “প্রতিটি গণমাধ্যম আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার করবে, যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।

বিজ্ঞপ্তি থেকে স্পষ্ট, হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতি কোনো শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ পাননি এবং প্রচারিত খবরটি বিভ্রান্তিকর।

খবরটি বিভ্রান্তিকর

আপডেট : ১২:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বিপুল সংখ্যক জামিন প্রদানের কারণে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে শোকজ করা হয়েছে এমন সংবাদটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। আদালত জানায়, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদেরকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের সঙ্গে বাস্তবতা মেলেনি। সেখানে বলা হয়েছিল যে, বিচারপতি আবু তাহের সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি জাকির হোসেনকে বিপুলসংখ্যক জামিন প্রদানের কারণে শোকজ করে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, প্রধান বিচারপতি কেবল প্রশাসনিক কারণে মামলাসংক্রান্ত কিছু তথ্য চেয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপ ও ফোনের মাধ্যমে তিনজন বিচারপতিকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এটি আদালতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রমের নিয়মিত অংশ এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যের ভুল উপস্থাপনার কারণে বিভ্রান্তি এড়াতে গণমাধ্যমকে সতর্ক করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “প্রতিটি গণমাধ্যম আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার করবে, যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।

বিজ্ঞপ্তি থেকে স্পষ্ট, হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতি কোনো শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ পাননি এবং প্রচারিত খবরটি বিভ্রান্তিকর।