Hi

০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছত্তিশগড়ের যুবককে ফোনকল কোহলি, ডি ভিলিয়ার্সের, কিন্তু কীভাবে?

ধরুন নতুন সিম কিনেছেন আপনি। মাস গড়াতেই একটা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোনকল এল আপনার ফোনে, পরিচিত একটা কণ্ঠ শুনলেন, ওপাশ থেকে তিনি দাবি করলেন তিনি বিরাট কোহলি। চমকে যাবেন না? সেটাই হয়েছে ছত্তিশগড়ের যুবক মানিশ বিসির সঙ্গে। এখানেই শেষ নয়, এবি ডি ভিলিয়ার্স, যশ দয়ালদেরও ফোনকল পেয়েছেন তিনি। তার এই ঘটনা ভারতে সাড়া ফেলে দিয়েছে রীতিমতো।

ঘটনাটি জানাজানি হয় যখন মাদাগাঁও গ্রামের ২১ বছর বয়সী মানিশ বিসি হঠাৎ এসব কল পেতে থাকেন। গারিয়াবাদ জেলার পুলিশ সুপার নিখিল রাখেচা বলেন, ‘এটি একটি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ছিল এবং সম্ভবত ছয় মাস ধরে ব্যবহার হচ্ছিল না। কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী ছয় মাসের বেশি সময় অব্যবহৃত থাকলে সেই নাম্বার অন্য গ্রাহককে দেওয়া হয়। এভাবেই দেবভোগের ওই যুবকের কাছে নাম্বারটি চলে যায়। আমরা এখন সেই নাম্বার রজত পতিদারকে ফিরিয়ে দিয়েছি।’

বিরাট কোহলির ভক্ত দাবি করা মানিশ গত জুনের শেষ দিকে দেবভোগের একটি মোবাইল দোকান থেকে নতুন সিম কেনেন। এক সপ্তাহ পর বন্ধু খেমরাজের সাহায্যে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করেন। তখন প্রোফাইল ছবিতে হঠাৎ দেখা যায় রজত পতিদারের ছবি, যা তারা প্রথমে ত্রুটি ভেবে উড়িয়ে দেন।

কিছুদিন পর বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সসহ আরও কয়েকজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে কল আসতে শুরু করে। সবাই তাকে ‘রজত’ বলে সম্বোধন করছিলেন। মানিশ ও তার বন্ধুরা ভেবেছিলেন এটি মজা করার জন্য কেউ করছে। প্রায় ১৫ দিন তারা এসব কল রিসিভ করে কথাও বলেন।

পরিস্থিতি বদলে যায় যখন রজত পতিদার নিজের পুরনো নাম্বার ব্যবহার করতে না পেরে মধ্যপ্রদেশ সাইবার সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে গারিয়াবাদ পুলিশ বিষয়টি হাতে নেয় এবং গ্রাম থেকে সিমটি উদ্ধার করে পতিদারকে ফেরত দেয়।

মানিশ ও খেমরাজ দুজনেই ক্রিকেটপ্রেমী। তারা এই ঘটনাকে জীবনের স্মরণীয় অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে রজত পতিদার একদিন তাদের সঙ্গে দেখা করবেন।

রজত পতিদার ঘরোয়া ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশের হয়ে খেলেন এবং আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক। মূলত ডি ভিলিয়ার্স, কোহলি, দয়ালদের কল তিনি পেয়েছেন বেঙ্গালুরু কানেকশনের জন্যই।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

ছত্তিশগড়ের যুবককে ফোনকল কোহলি, ডি ভিলিয়ার্সের, কিন্তু কীভাবে?

আপডেট : ০৪:২৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

ধরুন নতুন সিম কিনেছেন আপনি। মাস গড়াতেই একটা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোনকল এল আপনার ফোনে, পরিচিত একটা কণ্ঠ শুনলেন, ওপাশ থেকে তিনি দাবি করলেন তিনি বিরাট কোহলি। চমকে যাবেন না? সেটাই হয়েছে ছত্তিশগড়ের যুবক মানিশ বিসির সঙ্গে। এখানেই শেষ নয়, এবি ডি ভিলিয়ার্স, যশ দয়ালদেরও ফোনকল পেয়েছেন তিনি। তার এই ঘটনা ভারতে সাড়া ফেলে দিয়েছে রীতিমতো।

ঘটনাটি জানাজানি হয় যখন মাদাগাঁও গ্রামের ২১ বছর বয়সী মানিশ বিসি হঠাৎ এসব কল পেতে থাকেন। গারিয়াবাদ জেলার পুলিশ সুপার নিখিল রাখেচা বলেন, ‘এটি একটি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ছিল এবং সম্ভবত ছয় মাস ধরে ব্যবহার হচ্ছিল না। কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী ছয় মাসের বেশি সময় অব্যবহৃত থাকলে সেই নাম্বার অন্য গ্রাহককে দেওয়া হয়। এভাবেই দেবভোগের ওই যুবকের কাছে নাম্বারটি চলে যায়। আমরা এখন সেই নাম্বার রজত পতিদারকে ফিরিয়ে দিয়েছি।’

বিরাট কোহলির ভক্ত দাবি করা মানিশ গত জুনের শেষ দিকে দেবভোগের একটি মোবাইল দোকান থেকে নতুন সিম কেনেন। এক সপ্তাহ পর বন্ধু খেমরাজের সাহায্যে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করেন। তখন প্রোফাইল ছবিতে হঠাৎ দেখা যায় রজত পতিদারের ছবি, যা তারা প্রথমে ত্রুটি ভেবে উড়িয়ে দেন।

কিছুদিন পর বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সসহ আরও কয়েকজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে কল আসতে শুরু করে। সবাই তাকে ‘রজত’ বলে সম্বোধন করছিলেন। মানিশ ও তার বন্ধুরা ভেবেছিলেন এটি মজা করার জন্য কেউ করছে। প্রায় ১৫ দিন তারা এসব কল রিসিভ করে কথাও বলেন।

পরিস্থিতি বদলে যায় যখন রজত পতিদার নিজের পুরনো নাম্বার ব্যবহার করতে না পেরে মধ্যপ্রদেশ সাইবার সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে গারিয়াবাদ পুলিশ বিষয়টি হাতে নেয় এবং গ্রাম থেকে সিমটি উদ্ধার করে পতিদারকে ফেরত দেয়।

মানিশ ও খেমরাজ দুজনেই ক্রিকেটপ্রেমী। তারা এই ঘটনাকে জীবনের স্মরণীয় অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে রজত পতিদার একদিন তাদের সঙ্গে দেখা করবেন।

রজত পতিদার ঘরোয়া ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশের হয়ে খেলেন এবং আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক। মূলত ডি ভিলিয়ার্স, কোহলি, দয়ালদের কল তিনি পেয়েছেন বেঙ্গালুরু কানেকশনের জন্যই।